ফ্লোরিডার তীরে মাছ ধরতে গিয়ে এক টুরিস্ট তার নৌকা উল্টে ফেললো। জায়গাটা ছিলো তীর থেকে একটু দূরেই। কোনমতে একটা শৈবাল পাথরে আশ্রয় নিয়ে সে তীরে যাবার উপায় খুঁজতে লাগলো। কুমিরকে সে ভীষণ ভয় পেতো। যদি পানিতে কুমির থাকে, এই ভয়ে সে কয়েক ঘন্টা সেখানে আটকে রইলো।
অনেকক্ষণ পর এক সমুদ্রতীর-পুলিশকে দেখা গেলো তীরের কাছে। তাকে ডেকে টুরিস্ট জিজ্ঞেস করলো, তোমাদের এই তীরের কাছে কেমন কুমির আছে?
- নাহ, অনেক বছর ধরেই এখানে কুমির নেই। জবাব দিলো পুলিশ।
নিরাপদ বোধ করায় লোকটি তীরের দিকে সাঁতরাতে লাগলো। অর্ধেক পথ এসে সে আবার জানতে চাইলো, তোমরা কুমিরগুলোকে কিভাবে খতম করলে?
পুলিশ বললো, আমরা কিছু করিনি। হাঙ্গরের পাল ওদের খেয়ে ফেলেছে।
এক আইরিশ ডাবলিনের এক বারে এসে তিন পেগ মদ নিয়ে এক কোনায় বসলো। তারপর একে একে তিনটা পেগ একাই খেয়ে নিলো। আরেক দফা বারটেন্ডারের কাছে আসতেই বারটেন্ডার বললো, এই মদ ছোট পেগে খেয়ে মজা কম। যদি তিনটার বদলে একটা বড় পেগ নিতে তাহলে আরো মজা পেতে।
লোকটি হেসে বললো, আসলে আমরা তিন ভাই কাজের প্রয়োজনে তিন দেশে অবস্থান করছি। আমরা আলাদা হবার আগে ঠিক করেছিলাম, যেখানেই থাকি, প্রত্যেকেই আমরা এক পেগ করে প্রত্যেকের তরফ থেকে খাবো এবং পুরোনো দিনের কথা স্মরণ করবো।
বারটেন্ডার স্বীকার করলো এটা খুবই ভালো জিনিস। এতে পরিবারের সদস্যদের প্রতি সম্পর্ক ভালো থাকবে।
এভাবে আইরিশ লোকটা প্রতিদিন বারে আসতো আর তিন পেগ করে মদ খেতো। বারের নিয়মিত সবাই তার কাহিনী শুনেছিলো বলে সবাই এটাকে স্বাভাবিক ভাবেই দেখতো।
একদিন বারে ঢুকে লোকটি বললো, আমাকে দুই পেগ দাও। কথাটা বলামাত্র বারে পিনপতন নিস্তব্ধতা নেমে এলো। বারটেন্ডার মলিন মুখে তাকে তিন পেগ ঢেলে দিতে দিতে বললো, তোমার ভাইয়ের মৃত্যুতে আমিও গভীরভাবে শোকাহত। আমরা তার বিদেহী আত্মার মুক্তি কামনা করি।
কি হয়েছে বুঝতে লোকটি একটু সময় নিলো। তারপর হাসি ফুটে উঠলো তার চেহারায়, আরে না, তোমরা যেটা মনে করছো তেমন নয়। আমার ভাইয়েরা ঠিকই আছে। আজ থেকে আমি মদ খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি।
বাড়ির সামনে বাস্কেটবল খেলতে গিয়ে এক কিশোর তার এক চোখের কন্ট্যাক্ট লেন্স হারিয়ে ফেললো। অনেক খোঁজাখুঁজি করার পরও সে যখন সেটা পেলো না তখন তার মাকে গিয়ে ব্যাপারটা জানালো।
তার মা এবার বাইরে খুঁজতে গেলো এবং দুই মিনিটের মাথায় কন্ট্যাক্ট লেন্সটা খুঁজে নিয়ে এলো।
- মা, তুমি কিভাবে খুঁজে পেলে?
- আমরা তো একই জিনিস খুঁজছিলাম না। তুমি খুঁজছিলে একটুকরা প্লাস্টিক আর আমি খুঁজছিলাম ১৫০ ডলার।
হ্যাঁ - না।
না - হ্যাঁ।
হয়তো - না।
আমি দু:খিত - তোমার খবর আছে।
আমাদের দরকার - আমি চাই।
যা মনে চায় করো - পরে এর জন্য তোমাকে ভুগতে হবে।
আমাদের কথা বলা দরকার - আমার অভিযোগ শোন।
ঠিক আছে, করো - আমি চাই না তুমি করো।
আমি আপসেট না - অবশ্যই আমি আপসেট, গবেট।
এই কিচেনে কাজ করা যায়? - আমার নতুন বাড়ি দরকার।
জানালার জন্য পর্দা কিনতে হবে - সেই সাথে, ম্যাচ করা কার্পেট, ফার্নিচার আর ওয়ালপেপার।
একটা আওয়াজ শুনলাম মনে হলো - তুমি মনে হয় ঘুমিয়ে যাচ্ছো?
তুমি কি আমাকে ভালোবাসো? - আমি তোমার কাছ থেকে দামী কিছু চাইতে যাচ্ছি।
তুমি আমাকে কতটুকু ভালোবাসো? - আজকে এমন কাজ করেছি যা তুমি মনেপ্রাণে অপছন্দ করো।
এক মিনিটে রেডি হয়ে আসছি। - জুতা খুলে টিভিতে কোন প্রোগ্রাম দেখতে থাকো।
কথাবার্তা তোমার আরো ভালো করে শেখা উচিত। - আমার কথা মেনে নাও।
এক লোক মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে গিয়ে বললো, ডাক্তার, আমার স্ত্রী আমাকে লুকিয়ে অন্যদের সাথে মেশে। প্রতিদিন সে ল্যারির বারে যায়। যেই তাকে ডাকে তার সাথেই সে শোয়। এসব ভেবে আমার মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। আপনিই বলুন আমি কি করতে পারি?
ডাক্তার বললো, শান্ত হও, আমি দেখছি কি করা যায়। তার আগে বলো তো, ল্যারির বারটা কোথায়?
টিচার ক্লাসে এ্যাসাইনমেন্ট দিলেন গত সপ্তাহে কি অস্বাভাবিক ঘটেছে তা নিয়ে লিখতে।
ছোট্ট জন লিখলো, আব্বু গত সপ্তাহে বাসার সামনের কুয়ায় পড়ে গেছেন।
টিচার এ পর্যন্ত পড়ে বললেন, তোমার আব্বু এখন ভালো আছেন?
ছোট্ট জন উত্তর দিলো, মনে হয়। গতকাল থেকে কুয়া থেকে তার চিৎকার আর শোনা যাচ্ছে না।
- ডাক্তার, আমার ছেলের মনে হয় গনোরিয়া হয়েছে। ফোনে এক রোগী তার ডাক্তারকে ফোন করলো। বাড়ির কাজের মেয়ের সাথেই সে একমাত্র আকামটি করেছে।
- ঠিক আছে, ও তো একটা বাচ্চা। ওর সাথে খারাপ আচরণ কোরো না। ডাক্তার বললো। ওকে চেম্বারে নিয়ে এসো। সব ঠিক হয়ে যাবে।
- কিন্তু ডাক্তার। আমিও তো ওই কাজের মেয়ের সাথে উল্টাপাল্টা করেছি। আমারও মনে হয় গনোরিয়া হয়েছে।
- তাহলে তুমিও চলে এসো। দু'জনের চিকিৎসা এক সাথে করে দেই।
- ডাক্তার, আমার স্ত্রীর-ও যে গনোরিয়া আছে।
- শয়তানের বাচ্চা। ডাক্তার চেঁচিয়ে উঠলো। তার মানে আমারও গনোরিয়া হয়েছে।
এক মহিলা নাস্তা খাবার সময় খেয়াল করলো এক ভয়ানক গরিলা তার বাগানে এসে তর তর করে একটা পাম গাছে চড়ে বসলো। ভয়ে মহিলা গরিলা ধরার লোকদের ফোন দিলো।
একটু পরেই এক লোক ট্রাকে করে হাজির। সে মহিলাকে অভয় দিয়ে বললো যে তার কাছে গরিলা ধরার সকল সরঞ্জাম আছে, তাই ভয়ের কিছু নেই।
সে তার ট্রাকের পেছন থেকে একটা মই, শটগান, লম্বা লাঠি, হাতকড়া আর একটা কুকুর বের করলো।
মহিলা তো অবাক, এতো জিনিস দিয়ে কি হবে?
লোকটি ব্যাখ্যা করলো, আমি মই গাছে পেতে উপরে উঠবো। তারপর লাঠি দিয়ে গরিলাকে খোঁচা দিবো। এতে গরিলা নিচে পড়ে যাবে। নিচে পড়তেই আমার ট্রেনিং পাওয়া কুকুর গরিলার নিম্নাঙ্গে কষে একটা কামড় দিবে যার ফলে গরিলা অল্প সময়ের জন্য জ্ঞান হারিয়ে ফেলবে। তারপর ওটাকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে নিয়ে যাবো।
মহিলা বললো, তাহলে শটগানটা কি কাজের?
লোকটি বললো, ওটা আপনার জন্য। যদি গরিলার বদলে আমি নিচে পড়ে যাই, আপনি কুকুরটাকে গুলি করবেন।
বারে এক মেয়ের সাথে এক লোকের কথা হচ্ছে।
লোক: তোমার নাম কি?
মেয়ে: কারমেন।
লোক: সুন্দর নাম। তোমার মা এই নাম রেখেছে?
মেয়ে: না আমিই রেখেছি। আমি কার (গাড়ি) পছন্দ করি আর মেন (পুরুষ) পছন্দ করি, তাই। তোমার নাম কি?
লোক: মদমেয়ে।
লম্বা ট্যুর শেষে স্ত্রী বাড়িতে ফিরেই দেখতে পেলো তার স্বামী এক সুন্দরী তরুণীর সাথে বিছানায়। রাগে দু:খে বাড়ি থেকে বের হবার মুহূর্তে স্বামী তাকে থামালো।
বললো, যাওয়ার আগে শুনে যাও কিভাবে এমনটা হলো। বাড়িতে ফেরার পথে দেখলাম এই হতদরিদ্র মেয়েটা ক্লান্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে আছে। তাকে গাড়িতে লিফট দিলাম। তার খুব খিদে পেয়েছিলো, তাই তাকে বাড়িতে নিয়ে এসে কিছু খাবার দিলাম যেটা তুমি ভুলো ফ্রিজে অনেকদিন ফেলে রেখেছিলে। তার জুতো জোড়া ছেঁড়া দেখে তোমার এক জোড়া জুতো দিলাম যা তুমি ফ্যাশন নেই বলে পরো না। তার জামা ছিঁড়ে গিয়েছিলো, তাই তাকে তোমার নতুন জন্মদিনের সোয়েটারটা দিলাম যেটার কালার তোমার পছন্দ না বলে পরো না। তারপর সে যখন চলে যাচ্ছিলো, শেষ মুহূর্তে সে জানতে চাইলো, বাড়িতে আর এমন কি আছে যেটা তোমার স্ত্রী ব্যবহার করে না।
তারপরই ও আর আমি একসাথে বিছানায়।
Page number
হাসির বাক্স ব্লগে স্বাগতম
নিয়মিত আপডেট পেতে চাইলে সাবস্ক্রাইব বা ফলো করতে পারেন।
সোর্স উল্লেখ করলে এই সাইটের যে কোন কৌতুক যেকোন জায়গায় শেয়ার করতে পারবেন।
প্রতিদিনের কৌতুক মেইলে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
Labels
- কৌতুক (87)
- ১৮+ কৌতুক (29)
- স্বামী স্ত্রী কৌতুক (9)
- ঢাকাইয়া কৌতুক (8)
Popular Posts
পুরোনো পোস্টসমূহ
-
▼
2010
(132)
- ▼ 10/24 - 10/31 (18)
- ► 10/17 - 10/24 (34)
- ► 10/10 - 10/17 (21)
- ► 10/03 - 10/10 (35)
- ► 09/26 - 10/03 (24)
Followers
Total Pageviews