এক লোক মরুভূমিতে পথ হারিয়ে হাঁটছিলো। তৃষ্ণায় তার প্রাণ যায় যায় অবস্থা। এমন সময় সে ব্যাগ নিয়ে এক লোককে গাছের নিচে বসে থাকতে দেখলো।
- আমাকে একটু পানির সন্ধান দিতে পারবে? জানতে চাইল লোকটি।
- হ্যাঁ, যদি তুমি আমার কাছ থেকে একটা টাই কেনো যার দাম ৫০ ডলার।
রেগেমেগে তৃষ্ণার্ত লোকটি বললো, তোমার অমন উল্টাপাল্টা দামের টাই আমার দরকার নেই। পানির খবর বলো নইলে তোমার খবর আছে।
টাইওয়ালা বললো, ঠিক আছে। বলছি। এখান থেকে পাঁচ কিলোমিটার পশ্চিমে গেলে সুন্দর একটা হোটেল দেখতে পাবে। সেখানে ঠান্ডা পানি পাওয়া যায়। আমার ভাই ওই জায়গার মালিক।
লোকটি পশ্চিমে রওনা হবার পর কয়েক ঘন্টা কেটে গেলো। এরপর আবার টাইওয়ালার কাছে ফিরে এলো সে।
- হোটেলের মালিক তোর ভাই আরেক হারামজাদা, টাই ছাড়া নাকি আমাকে ওখানে ঢুকতে দিবে না।
এক লোক পার্টি দিয়ে তার বন্ধুদের বললো, আমার সুইমিং পুলটা জাদুর। সুইমিং পুলে নেমে যে তরল পদার্থের নাম করবে পুরো পুলের পানি সেই পদার্থ হয়ে যাবে।
তার এক বাঙালি বন্ধু পুলে নেমে বললো, কোক। সাথে সাথে পুরো পুলের পানি কোকে পরিবর্তন হয়ে গেলো। সে প্রাণ ভরে কোক খেয়ে উঠে এলো।
এবার তার এক রাশিয়ান বন্ধু নেমে বললো, ভদকা। সাথে সাথে পুরো পুলের পানি ভদকায় পরিবর্তন হয়ে গেলো। সে প্রাণ ভরে ভদকা খেয়ে উঠে এলো।
এবার তার এক আমেরিকান বন্ধু ঝাঁপ দিতেই বাঙালিটি তাকে মনে করিয়ে দিলো, আরে, তোমার পকেটে তো মোবাইল ফোনটা রয়ে গেছে।
আমেরিকান বললো, শিট!
এক ব্যক্তি জাদুর একটি আয়না এই বলে বিক্রি করছিলো যে এর সামনে দাঁড়িয়ে মিথ্যা কথা বললে মিথ্যাবাদী লোকটি গায়েব হয়ে যাবে।
এক চাইনীজ মহিলা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বললো, আমি ভাবি যে, আমি দুনিয়ার সবচেয়ে বুদ্ধিমতী মেয়ে। সাথে সাথে সে গায়েব হয়ে গেলো।
এক কালো চুলের মহিলা বললো, আমি ভাবি যে, আমি দুনিয়ার সবচেয়ে আকর্ষণীয় মেয়ে। সাথে সাথে সে গায়েব হয়ে গেলো।
এবার এক ব্লন্ডি (সোনালি চুলের) মহিলা এসে বললো, আমি ভাবছি... বলামাত্র সে গায়েব হয়ে গেলো।
ক্লাসে টিচার সকল ছেলেকে এসাইনমেন্ট দিলেন, তোমার বাড়ির আশেপাশে কি তৈরি হচ্ছে তা নিয়ে লিখবে। তারপর তিনি সকল ছেলেকে বেরিয়ে যেতে বললেন। এবার তিনি মেয়েদেরকে বললেন, ছোট্ট জনি কালকে নিশ্চয়ই বিশ্রী কোন কথা লিখে আনবে। আমি চাই ওর এসাইনমেন্ট পড়ার সাথে সাথে তোমরা ক্লাস থেকে বেরিয়ে যাবে যাতে ও বুঝতে পারে ওর কথা তোমরা পছন্দ করো না। তাহলে হয়তো ওর একটা শিক্ষা হবে।
পরদিন সব ছেলে এসাইনমেন্ট করে এনেছে।
জিম পড়ছে- আমাদের বাসার কাছে একটা ডিপার্টমেন্টাল স্টোর তৈরি হচ্ছে। আমাদের দৈনন্দিন জিনিস কেনাকাটায় অনেক সুবিধা হবে।
বিল পড়ছে- আমাদের বাসার কাছে একটা মার্কেট তৈরি হচ্ছে। আমার মায়ের কেনাকাটায় সুবিধা হবে।
জনি এগিয়ে এলো তার এসাইনমেন্ট পড়ার জন্য। টিচার সব মেয়েদের গোপনে ইশারা করে দিলেন।
জনি পড়লো- আমাদের বাসার কাছে একটা বেশ্যাপাড়া তৈরি হচ্ছে। এ পর্যন্ত পড়ে সে দেখলো মেয়েরা দরজার দিকে লাইন দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। তাই দেখে সে বললো- আরে আরে, তোমরা কোথায় যাও? এখনও তো বিল্ডিংটা বানানো শেষ হয়নি।
মিলিটারিতে নতুন যোগ দিয়ে আর সবার সাথে জিম লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। সার্জেন্ট এসে সবাইকে আজকের কাজের লিস্ট বুঝিয়ে দিলো। তারপর বললো, কারো টেলিকমিউনিকেশনে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে?
জিম আগে টেলিফোন অপারেটর হিসেবে কাজ করেছলো। সে হাত তুললো।
সার্জেন্ট বললো, গুড, টেলিফোনের নতুন খাম্বা গাড়তে হবে। গর্ত করার কাজটা তোমাকে দেয়া হলো।
বেলুনে করে ভ্রমণে বের হওয়া এক ব্যক্তি রাস্তা হারিয়ে ফেললো। কিছুদূর গিয়ে সে এক ব্যক্তিকে দেখে চেঁচিয়ে জিজ্ঞেস করলো, এই যে জনাব, আমি কোথায় আছি বলতে পারেন?
এক মহিলা প্রতিদিন তার বাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করে- সকল প্রশংসা আল্লাহর।
পাশের বাড়ির এক নাস্তিক তাই শুনে জবাব দেয়- আল্লাহ বলতে কিছু নেই।
একদিন মহিলা বারান্দায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করলো- আল্লাহ, আমার বাজারটা করে দাও।
একটু পরে সে দেখলো তার বাড়ির বাইরে ব্যাগ ভর্তি তরকারি-মাছ ইত্যাদি পড়ে আছে।
সে তা দেখে চিৎকার করে বললো- সকল প্রশংসা আল্লাহর।
পাশের বাড়ির নাস্তিকটি বললো, আল্লাহ বলে কিছুই নেই। আমি ওই বাজার করে দিয়েছি।
মহিলা বললো- সকল প্রশংসা আল্লাহর। তিনি শুধু আমার বাজারই করে দেননি, শয়তানকে দিয়ে তার দামও পরিশোধ করিয়েছেন।
স্বামীর প্রতিরাতে মাতাল হয়ে ঘরে ফেরায় অতিষ্ট হয়ে স্ত্রী অবশেষে ঠিক করলো তাকে ভয় দেখাবে। দোকান থেকে শয়তানের শিং, লেজ ওয়ালা কস্টিউম নিয়ে এসে সে দাঁড়িয়ে রইলো গেটের ঠিক বাইরে গাছের আড়ালে।
যথারীতি স্বামী মাতাল হয়ে ফিরছে। স্ত্রী শয়তানের বেশে হাউ-মাউ করে তার সামনে গিয়ে পড়লো। স্বামী ভড়কে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো, তুমি কে?
স্ত্রী মোটা গলায় উত্তর দিলো: আমি শয়তান।
স্বামী বললো: তাই নাকি। তাহলে বাসায় চলো। তোমার বোনকে তো আমি বিয়ে করেছি।
বব: জিম, তুমি কবে এই হারমোনিয়াম কিনলে?
একবার এক হুজুর আর কয়েকজন মিলে একসাথে খাবার খাচ্ছিলো। এক দুষ্টমনা লোক হুজুরদের দেখতে পারতো না। সে পাশের জনকে বললো, আমার যদি কোন বোকা ছেলে থাকতো, সে মনে হয় হুজুর-ই হতো। কথাটা সে এমনভাবে বললো যাতে সবাই শুনতে পায়।
শুনে হুজুর একটু হেসে উত্তর দিলেন, তোমার বাবা মনে হয় তোমার এই মতবাদের সাথে একমত নন।
Page number
হাসির বাক্স ব্লগে স্বাগতম
নিয়মিত আপডেট পেতে চাইলে সাবস্ক্রাইব বা ফলো করতে পারেন।
সোর্স উল্লেখ করলে এই সাইটের যে কোন কৌতুক যেকোন জায়গায় শেয়ার করতে পারবেন।
প্রতিদিনের কৌতুক মেইলে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
Labels
- কৌতুক (87)
- ১৮+ কৌতুক (29)
- স্বামী স্ত্রী কৌতুক (9)
- ঢাকাইয়া কৌতুক (8)
Popular Posts
পুরোনো পোস্টসমূহ
-
▼
2010
(132)
- ▼ 10/24 - 10/31 (18)
- ► 10/17 - 10/24 (34)
- ► 10/10 - 10/17 (21)
- ► 10/03 - 10/10 (35)
- ► 09/26 - 10/03 (24)
Followers
Total Pageviews