এক মাতাল শেষ মুহূর্তে ট্রেনে উঠে পড়ে এক পাদ্রীর পাশে বসে পড়লো। তার গা থেকে মদের বিশ্রী গন্ধ আসছিলো, সারামুখে ময়লা-লালা গড়াচ্ছিলো আর পুরোনো ছেঁড়া কোটের পকেট থেকে মদের বোতলটা উঁকি দিচ্ছিলো।
পাদ্রীর পাশে বসেই সে বগলে রাখা পেপারটা খুলে পড়তে শুরু করলো। একটু পর পড়া থামিয়ে পাদ্রীকে জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা ফাদার, আর্থ্রাইটিস কেন হয়?
- অনিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন, অধিক মদ্যপান, খারাপ মেয়েদের কাছে যাওয়া ইত্যাদি কারণে এই রোগ হতে পারে। পাদ্রী জবাব দিলো।
-অ! বলে মাতাল আবার পড়ায় মনযোগ দিলো।
পাদ্রী ভাবলো খুব কড়া উত্তর দেয়া হয়েছে। তাই সে একটু নরম সুরে বললো, তোমার কতদিন ধরে আর্থ্রাইটিস হয়েছে?
মাতাল বললো, আমার না। পেপারে পড়লাম পোপের নাকি হয়েছে।
এক সার্কাসের মালিক এক বারে গিয়ে দেখলো এক লোক হাঁসের নাচের খেলা দেখাচ্ছে। হাঁসটা তার নির্দেশমতো একটা পটের উপর ট্যাপ ড্যান্স করছে। দেখে তো সে দারুণ মুগ্ধ। হাঁসটা কেনার প্রস্তাব দিলো তার মালিককে।
অনেক আলোচনা শেষে হাঁসটার মূল্য ১০০০০ ডলার ধার্য হলো।
দু'দিন পরেই সার্কাসের মালিক সেই বারে ফিরে এলো। হাঁসের পুরোনো মালিককে বললো, তোমার ভূয়া হাঁস ফেরত নাও। আমার দর্শকদের সামনে ওকে পটে বসিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু একটা পা-ও নাচেনি।
মালিক উত্তর দিলো, তুমি কি ওর পটের নিচে মোমবাতি জ্বালিয়ে দিয়েছিলে?
এক হিন্দু পুরোহিত, এক হুজুর আর এক উকিল গাড়িতে করে যাচ্ছিলো। পথে তাদের গাড়ি নষ্ট হয়ে গেলো। ভাগ্য ভালো কাছেই একটা ফার্মহাউজ ছিলো। মালিক তাদেরকে জায়গা দিলো রাতটা থাকার জন্য। তবে মাত্র একটা ঘর তারা পেলো যেখানে মাত্র ২টা বিছানা ছিলো। ফলে কাউকে না কাউকে খোঁয়াড়ে শুতে যেতেই হতো।
হিন্দু পুরোহিত স্বেচ্ছায় খোঁয়াড়ে শুতে গেলো। একটু পর দরজায় টোকা পড়লো। দেখা গেলো হিন্দু পুরোহিত ফিরে এসেছে। সে বললো, খোঁয়াড়ে একটা গরু আছে। গরু যেহেতু পবিত্র তাই এক সাথে থাকা তার পক্ষে সম্ভব না।
অত:পর হুজুর খোঁয়াড়ে থাকতে রাজি হলো। কিন্তু একটু পরেই দরজায় টোকা দিলো সে। জানালো, খোঁয়াড়ে একটা শুয়োর আছে। ধর্মে যেহেতু শুয়োর খারাপ, তাই ওটার সাথে খোঁয়াড়ে থাকা তার পক্ষে সম্ভব না।
অগত্যা উকিল খোঁয়াড়ে থাকতে গেলো। একটু পরে দরজায় টোকা পড়লো। এবার গরু আর শুয়োরটা এসেছে।
এক হাসপাতালের ওয়েটিং রুমে তিনজন লোক তাদের প্রথম সন্তানের জন্ম নেয়ার অপেক্ষা করছিলো ।
নার্স বেরিয়ে এসে প্রথমজনকে বললো, অভিনন্দন, আপনার যমজ বাচ্চা হয়েছে।
লোকটি খুশি হয়ে বললো, আরে, আমি তো মিনোসেটা টুইনস (মিনোসেটা যমজ)- প্রতিষ্ঠানে কাজ করি।
একটু পর নার্স বেরিয়ে এসে দ্বিতীয়জনকে বললো, অভিনন্দন, আপনার ৩টি বাচ্চা একসাথে হয়েছে।
লোকটি খুশি হয়ে বললো, আরে আমি তো থ্রি-এম -এ কাজ করি।
এ কথা শুনে তৃতীয়জন খোলা জানালা দিয়ে বাইরে লাফ দিলো। নার্স বেরিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলো বাচ্চার বাবা কোথায়। অন্য দু'জন উত্তর দিলো, জানালা দিয়ে লাফ দিয়ে নিচে পড়ে গেছে।
- কেন? নার্স অবাক।
- ও সেভেন-আপে কাজ করে। একজনের উত্তর।
স্ত্রীর দেয়া ডিনার পার্টি উপলক্ষে স্বামী স্ত্রী খুব ব্যস্ত। সন্ধ্যায় স্ত্রীর খেয়াল হলো পার্টির জন্য শামুক আনা হয়নি। কেউ কেউ শামুক খেতে পছন্দ করে। তাই সে স্বামীকে বললো সমুদ্রতীরে গিয়ে কিছু শামুক কুড়িয়ে আনতে।
শামুক আনতে গিয়ে স্বামীটি খেয়াল করলো এক অপূর্ব সুন্দরী মেয়ে বিচে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সে শামুক কুড়াতে কুড়াতে ভাবছিলো যদি মেয়েটি আমার সাথে এসে কথা বলতো তাহলে কতো ভালো হতো!
একটু পর মেয়েটি তার দিকে এগিয়ে এলো। দু'জনে কথাবার্তা বলতে বলতে খুব অন্তরঙ্গ হয়ে গেলো। মেয়েটি তাকে তার এপার্টমেন্টে নিমন্ত্রণ জানালো। দু'জনে রাতটা সেখানেই কাটালো।
সকালে ঘুম ভাঙতেই স্বামীর মনে পড়লো তার স্ত্রীর ডিনার পার্টির কথা। 'সর্বনাশ!' বলে সে দ্রুত কাপড় পরে নিলো। তারপর শামুকের বালতিটা হাতে নিয়ে ছুটলো নিজের বাসার দিকে।
সিঁড়ি দিয়ে উঠতে গিয়ে তার হাত থেকে বালতিটা পড়ে গেলো। শামুকগুলো সব সিঁড়িতে ছড়িয়ে পড়লো। তার আওয়াজ পেয়ে স্ত্রী দরজা খুলে রাগের স্বরে জানতে চাইলো সে কোথায় ছিলো গত রাতে।
স্বামী তার কথার উত্তর না দিয়ে শামুকগুলো দিকে তাকিয়ে বললো, এই তো, তোমরা তো প্রায় পৌঁছে গেছো। আর কয়েক কদম মাত্র।
স্বামী স্ত্রী গাড়ি চালিয়ে গ্রামের রাস্তার ভিতর দিয়ে যাচ্ছে। একটু আগে দু'জনের মাঝে ঝগড়া হওয়ায় কেউ কোন কথা বলছে না।
মারিয়ানা ঠিক করলো এবারের ছুটিটা সে হোটেলের ছাদে সানবাথ করেই কাটাবে। প্রথমদিন সে বিকিনি পরে ছাদে শুয়ে রইলো। সে খেয়াল করলো সারাদিনে কেউ ছাদে এলো না। তাই পরেরদিন সে গায়ে অবশিষ্ট কাপড়টুকুও রাখলো না যাতে পুরো শরীরে সূর্যের তাপ লাগে।
এক মহিলা তার স্বামীর মৃত্যুর আগ মুহূর্তে কাছে দাঁড়িয়ে ছিলো। স্বামীর মুখে নাকে অনেক পাইপ লাগিয়ে তার শ্বাসপ্রশ্বাস চালু রাখা হয়েছিলো। এ কারণে সে কথা বলতে পারছিলো না। যা কথাবার্তা তা শুধু ইশারায় হচ্ছিলো।
হঠাৎ স্বামীটি দম নেবার জন্য হাঁসফাঁস করতে লাগলো আর তার চোখগুলো উপর নিচ করতে লাগলো।তার অস্থিরতা দেখে ডাক্তার পরামর্শ দিলো, আপনি ওকে একটা কাগজ কলম দিন যাতে ও ওর মনের কথা লিখতে পারে।
এক নার্স কাগজ কলম এগিয়ে দিলো। এর কিছুক্ষণ পর লোকটা মারা গেলো।
দীর্ঘক্ষণ কেঁদে কেটে মহিলার খেয়াল হলো তার স্বামী তাকে একটা নোট লিখে দিয়ে গিয়েছে। সে খুলে সেটা পড়লো আর সাথে সাথে ডাক্তারকে কষে একটা চড় লাগালো।
ডাক্তার তো হতভম্ব। তখন তাকে স্বামীর লেখাটা দেখানা হলো যাতে লেখা ছিলো- হতচ্ছাড়া ডাক্তার, আমার অক্সিজেন পাইপ থেকে সরে দাঁড়া।
এক নাস্তিক বনের মাঝ দিয়ে হাঁটছিলো আর প্রকৃতির মজা নিচ্ছিলো।
- কী দারুণ ঘাস!
- কী সুন্দর লেক!
- কী সুন্দর গাছ! মনে মনে বিভিন্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রশংসা করছিলো সে।
এমন সময় পেছনের ঝোপে খসখস শব্দ শুনে সে চেয়ে দেখলো এক ভয়ানক দর্শন গ্রিজলি ভালুক তার দিকে তেড়ে আসছে। সে ভয়ে পড়িমড়ি করে দৌড় দিলো। প্রাণপণে অনেকদূর দৌড়ে এক পর্যায়ে সে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকিয়ে দেখলো ভালুকটা তার খুব কাছে এসে গেছে। তাই দেখে সে ভয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়লো আর ভালুকটাও তার ঠিক উপরে চলে এলো। তাকে থাবা দেবার জন্য ভালুকটা হাত তুলতেই নাস্তিক ভয়ে বলে উঠলো, ওহ্ গড!
সাথে সাথে ভালুকের হাত স্থির হয়ে গেলো, বনের পাতা নড়া বন্ধ হয়ে গেলো আর সময় থমকে গেলো। এবার আকাশ থেকে এক আলোর ঝলক দেখা গেলো আর শব্দ শোনা গেলো, কিরে, তুই সারাজীবন আমাকে অস্বীকার করে এলি, লোকদেরকে আমাকে বিশ্বাস করতে মানা করলি। এখন কি তুই চাস যে আমি তোকে বাঁচাই? তার মানে কি তুই একজন ঈশ্বর বিশ্বাসী হয়ে গেলি?
নাস্তিক বললো, আমি যদি এখন বলি আমি এখন থেকে সত্যিকার খৃস্টান তাহলে কথাটা মিথ্যা হবে। তারচেয়ে ভালুকটাকে খৃস্টান বানিয়ে দিলে ভালো হবে।
আওয়াজ এলো, ঠিক আছে তাই হবে। তারপর আলো মিলিয়ে গেলো। সময় চালু হয়ে গেলো, বাতাসে গাছের পাতা নড়া শুরু করলো এবং ভালুকটাও নড়াচড়া করে উঠলো।
এবার ভালুকটা এক হাতের পরিবর্তে দুই হাত কড়জোর করলো। তারপর মাথা নিচু করে প্রার্থনা করলো, ওগো আমার ঈশ্বর, এই সুন্দর সুস্বাদু খাবার আমাকে দেবার জন্য তোমাকে এবং যীশুকে জানাই অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমীন।
১. এটা জরুরি যে পুরুষ সঙ্গীটি তোমাকে বাড়ির কাজে সাহায্য করে এবং কোন একটা জব করে।
২. এটা জরুরি যে পুরুষ সঙ্গীটি তোমাকে হাসাতে পারে।
৩. এটা জরুরি যে পুরুষ সঙ্গীটি নির্ভরযোগ্য এবং তোমাকে মিথ্যা বলে না।
৪. এটা জরুরি যে পুরুষ সঙ্গীটি তোমাকে ভালোবাসে এবং তোমাকে আদর করে।
৫. সবচেয়ে জরুরি হলো, এই চারজন ব্যক্তি যেন একজন আরেকজনকে না চেনে।
Page number
হাসির বাক্স ব্লগে স্বাগতম
নিয়মিত আপডেট পেতে চাইলে সাবস্ক্রাইব বা ফলো করতে পারেন।
সোর্স উল্লেখ করলে এই সাইটের যে কোন কৌতুক যেকোন জায়গায় শেয়ার করতে পারবেন।
প্রতিদিনের কৌতুক মেইলে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
Labels
- কৌতুক (87)
- ১৮+ কৌতুক (29)
- স্বামী স্ত্রী কৌতুক (9)
- ঢাকাইয়া কৌতুক (8)
Popular Posts
পুরোনো পোস্টসমূহ
-
▼
2010
(132)
- ▼ 10/24 - 10/31 (18)
- ► 10/17 - 10/24 (34)
- ► 10/10 - 10/17 (21)
- ► 10/03 - 10/10 (35)
- ► 09/26 - 10/03 (24)
Followers
Total Pageviews