ছোট মেয়েকে নিয়ে নিউইয়র্ক শহরে ঘুরতে এসেছে মা। ট্যাক্সির জন্য মা অপেক্ষা করছিলো। এমন সময় মেয়ে দেখলো উদ্ভট জামা পরে কড়া মেকআপ করে কিছু মেয়ে রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়েছিলো।
এমন সময় একটা খালি ট্যাক্সি পেয়ে মা-মেয়ে উঠে পড়লো। মেয়েটি তার মা-কে জিজ্ঞেস করলো, মা, ওই মেয়েগুলো কারা?
মা তো আর আসল কথা বলতে পারে না, তাই বললো, ওরা ওদের স্বামীর জন্য অপেক্ষা করছে। অফিস ছুটির পর ওদের স্বামীরা ওদের বাসায় নিয়ে যাবে।
ট্যাক্সি ড্রাইভার ঘাড় ঘুরিয়ে বললো, কাম অন, ম্যাম। বাচ্চাকে সত্যি কথা বলুন। ওরা আসলে বেশ্যা।
এক মুহূর্ত চুপ থেকে মেয়েটি জানতে চাইলো, মা, ওই বেশ্যাদেরও কি বাচ্চা হয়?
মা উত্তর দিলো, অবশ্যই হয়। নাহলে ট্যাক্সি ড্রাইভারগুলো আসে কোত্থেকে, বলো তো?
এক লোক ডাক্তারের কাছে গিয়ে বললো, ডাক্তার, আমি একটা ঝামেলায় পড়েছি। শুক্রবারে আমার গার্লফ্রেন্ডের সাথে ডেট আছে, শনিবার আমার সাবেক স্ত্রী আসছে আর রবিবার আমার স্ত্রী বিদেশ থেকে ফিরে আসছে। তাদের প্রত্যেককে সন্তুষ্ট করার জন্য আমাকে ৩টি ভায়াগ্রা দিন।
ডাক্তার বললো, তোমার বয়সের লোকের জন্য পরপর তিনদিন তিনটি ভায়াগ্রা খুব বিপদজনক। তোমাকে এক শর্তে দিতে পারি, তুমি সোমবারে এসে তোমার শারীরিক অবস্থা চেক করিয়ে যাবে।
লোকটি রাজি হলো। ডাক্তার তাকে ভায়াগ্রা দিয়ে দিলো।
সোমবার লোকটা ডাক্তারের কাছে এলো। তার ঘাড়ের সাথে ব্যান্ডেজ বাঁধা হাত ঝুলছিলো।
ডাক্তার অবাক, কি হয়েছে তোমার?
লোকটা উত্তর দিলো, ৩ জনের একজনও আসেনি।
বিয়ের ৪০ বছর পূর্তিতে জন ও জেনি দুই সপ্তাহের জন্য অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হলো। প্লেনে হঠাৎ ক্যাপ্টেনের গলা শোনা গেলো, ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ, আপনাদের একটা খুব খারাপ সংবাদ দিতে হচ্ছে। প্লেনের ইঞ্জিন কাজ করছে না তাই ইমারজেন্সি ল্যান্ডিং করতে বাধ্য হচ্ছি। ভাগ্য ভালো যে আমাদের নিচেই একটা অজানা দ্বীপ দেখা যাচ্ছে যেখানে আমরা ল্যান্ড করতে পারি। তবে দু:খজনক ব্যাপার হচ্ছে আমাদেরকে কেউ হয়তো এখানে খুঁজে পাবে না।
ক্যাপ্টেনের দক্ষতায় প্লেন ঠিকমতোই দ্বীপে ল্যান্ড করলো। সবাই খুব মনমরা যে আর কখনো তারা লোকালয়ে ফিরে যেতে পারবে না।
জন কিছুক্ষণ পায়চারি করে জেনির কাছে ফিরে এলো, জেনি, তুমি কি মর্টগেজের ৫,০০০ ডলার পরিশোধ করেছিলে?
জেনি বললো, সরি জন, আমি তো ভুলেই গেছি।
জন তারপর জানতে চাইলো, তুমি কি আমেরিকান এক্সপ্রেস কার্ডের ক্রেডিট শোধ করেছিলে?
জেনি বললো, সরি জন, আমি তো ভুলেই গেছি।
জন আবার বললো, আরেকটা কথা বলো তো, তুমি কি ভিসা আর মাস্টারকার্ডের ক্রেডিট শোধ করেছিলে?
জেনি দু:খের সাথে বললো, সরি জন, একদমই মনে ছিলো না।
আনন্দে আত্মহারা হয়ে জন জেনিকে জড়িয়ে ধরে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় কিস দিলো।
জেনি তো অবাক, কি হয়েছে তোমার?
জন উত্তর দিলো, ঐ কোম্পানিগুলোই আমাদের খুঁজে নেবে এখান থেকে।
ক্লাস ওয়ানে প্রাণীদের নাম শেখানো হচ্ছে।
টিচার একটা বিড়ালের ছবি দেখিয়ে জানতে চাইলেন, বলো তো, এটা কিসের ছবি?
একজন উত্তর দিলো, বিড়াল।
টিচার বললেন, ভেরি গুড। এবার বলো তো এটা কিসের ছবি?
আরেকজন উত্তর দিলো, কুকুর।
টিচার বললেন, ভেরি গুড।
এবার হরিণের (ডিয়ার) ছবি দেখিয়ে বললেন, বল তো এটা কিসের ছবি?
সবাই চুপ। টিচার বললেন, এটা হচ্ছে তোমার মা তোমার বাবাকে যা বলে ডাকে।
এবার এক ছাত্র হাত তুললো, 'মুখপোড়া মিনসে', ম্যাম।
এক লোক সমুদ্রতীরে হাঁটতে হাঁটতে একটা পুরনো কুপি খুঁজে পেলো। ঘষতেই সেটা থেকে বেরিয়ে এলো এক জ্বিন।
জ্বিন বললো, হুকুম করুন মালিক। আপনার তিনটি ইচ্ছা আমি পূরণ করবো। তবে এতে একটা ব্যাপার আছে।
লোকটি জানতে চাইলো, কি?
জ্বিন বললো, আপনি যা-ই চাইবেন, আপনার প্রতিবেশী তার দ্বিগুণ পাবে।
লোকটি তার প্রতিবেশীকে দু'চোখে দেখতে পারতো না। তারপরও নিজে তো অন্তত পাবে এই ভেবে সে তার প্রথম ইচ্ছার কথা বললো, আমি একটা ফেরারি গাড়ি চাই।
জ্বিন বললো, আপনার বাড়ির গ্যারেজে একটা ফেরারি গাড়ি রেডি হয়ে গেছে। কিন্তু আপনার প্রতিবেশী পেয়েছে দুইটি ফেরারি।
লোকটি বললো, ঠিক আছে, আমি এবার চাই ১ কোটি টাকা।
জ্বিন বললো, আপনার একাউন্টে ১ কোটি টাকা জমা হয়ে গেছে। কিন্তু আপনার প্রতিবেশী পেয়েছে ২ কোটি টাকা।
লোকটি এবার তার তৃতীয় ও শেষ ইচ্ছা বললো, আমি আমার একটা কিডনি দান করতে চাই।
দীর্ঘদিন ধরে জো মাথাব্যথায় ভুগছিলো। অনেক ডাক্তার দেখানোর পরও তা সারছিলো না। একদিন এক নতুন ডাক্তারকে দেখানোর পর ডাক্তার বললো, তোমার মাথাব্যথার কারণটা আমি ধরতে পেরেছি। তোমার অন্ডকোষ মাঝে মাঝে চাপ খেয়ে মেরুদন্ডে প্রেশার সৃষ্টি করে যার ফলে তোমার মাথাব্যথা হয়। তোমার একটাই উপায় আর তা হলো অপারেশন করে অন্ডকোষ ফেলে দেয়া।
জো অনেক চিন্তা ভাবনা করার পর ভাবলো মাথাব্যথা থেকে তাকে বাঁচতেই হবে। সে অপারেশনে রাজি হলো।
অপারেশন হবার পর তার মনে হতে লাগলো যে সে একটা নতুন মানুষে পরিণত হয়েছে। হাঁটা চলায় কেমন যেন অদ্ভূত মনে হচ্ছিলো। একটা কাপড়ের দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় সে ভাবলো নতুন জামা ট্রাই করা যাক। এতে মন খারাপ কিছুটা হলেও কমবে।
দোকানদারকে গিয়ে জো বললো, আমার একটা নতুন স্যুট দরকার।
দোকানদার বললো, স্যার, আপনি এই ৪৪ সাইজ ট্রাই করুন।
জো অবাক হলো, আপনি কিভাবে জানলেন আমার ৪৪ সাইজ লাগে।
দোকানদার বললো, এটা জানাই তো স্যার আমার কাজ।
জো দেখলো স্যুটটা দারুণ ফিট হয়েছে। দোকানদার পেছন থেকে বললো, নতুন শার্ট ট্রাই করবেন, স্যার?
জো রাজি হলো। দোকানদার বললো, আপনার হাতা ৩৪....... ১৬ এবং অর্ধেক ঘাড়। জো অবাক হলো, আপনি কিভাবে জানলেন?
দোকানদার বললো, এটা জানাই তো স্যার আমার কাজ।
জো শার্ট ট্রাই করলো এবং পারফেক্ট ফিট হলো। দোকানদার বললো, স্যার আমাদের এখানে নতুন ভালো জুতা আছে। ট্রাই করবেন?
জো রাজি হলো। দোকানদার বললো, স্যার আপনার সাড়ে নয় সাইজ লাগবে।
জো অবাক হলো, কিভাবে জানলেন?
দোকানদার বললো, এটা জানাই তো স্যার আমার কাজ।
জুতাও সুন্দরভাবে ফিট হলো।
দোকানদার বললো, স্যার আমাদের এখানে সুন্দর আন্ডারওয়্যার আছে। ট্রাই করবেন?
জো রাজি হলো।
দোকানদার বললো, স্যার, আপনার ৩৬ সাইজ লাগবে।
জো বললো, হয়নি। আমি গত ৫ বছর ধরে ৩৪ সাইজ সুন্দরমতো পরে আসছি।
দোকানদার বললো, স্যার, যদি ৩৪ সাইজ পরেন, তাহলে আপনার অন্ডকোষ চাপ দিয়ে মেরুদন্ডে প্রেশার সৃষ্টি করবে এবং এর ফলে আপনার মারাত্মক মাথাব্যথা হতে পারে।
হিলারি ক্লিনটন এবং এটর্নি জেনারেল জেনেট রেনো টিপিক্যাল মেয়েলি কথাবার্তা বলছিলো।
হিলারি ক্লিনটন বলতে লাগলো কিভাবে পুরষরা মেয়েদের বিরক্ত করে। তারা সেক্স ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারে না। এজন্য বাধ্য হয়ে বিলের সাথে সম্পর্ক করতে হয়েছে। তবে সেও আমাকে যখন তখন সেক্সের জন্য বিরক্ত করে।
জেনেট বললো, আমার চেহারা ভালো না বলে মনে কোরো না পুরুষরা আমাকে বিরক্ত করে না। তবে তাদের ভাগানোর ওষুধও আছে আমার কাছে।
হিলারি জানতে চাইলো, কিরকম?
জেনেট বললো, যখন কোন পুরুষ আমাকে পাবার জন্য বিরক্ত করে তখন আমি কষে একটা বায়ু নির্গমণ করি। আওয়াজ পেয়ে ভয়ে সেই লোক ভেগে যায়।
হিলারি ভাবলো বিল তাকে রাত্রে বিরক্ত করলে এই সিস্টেম কাজে লাগাবে।
যথারীতি রাতে বিল ক্লিনটন শুয়ে আছে। অন্ধকার ঘরে হিলারি ঘুমাতে এলো। তার উপস্থিতি টের পেয়ে বিল তার মনের ইচ্ছা পূরণ করার জন্য নড়াচড়া শুরু করলো। হিলারি সারাদিন ধরে এ জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলো। সে পেটের সকল গ্যাস একত্র করে খুব জোরে বায়ুদূষণ করলো।
ক্লিনটনের অবাক গলা শোনা গেলো, জেনেট, তুমি নাকি?
এক বিবাহিত লোক পাদ্রীর কাছে স্বীকারোক্তি করতে গেলো, ফাদার, এক মেয়ের সাথে আমার 'প্রায়' এ্যাফেয়ার হয়ে গিয়েছে।
- 'প্রায়' মানে কি? ফাদার জানতে চাইলো।
- মানে আমরা কাপড় খুলো একটু ঘষাঘষি করেছি। কিন্তু তারপর আর কিছু করিনি।
- ঘষাঘষি করা আর মূল কাজ করা একই ব্যাপার। পাদ্রী ব্যাখ্যা করলো। ওই মেয়ের ধারে কাছেও আর যাবে না। এখন পাপমুক্তির জন্য মা মেরির বন্দনা করো আর দান বাক্সে ৫০ ডলার ফেলো।
লোকটি স্বীকারোক্তি দিয়ে প্রার্থনা করলো তারপর দান বাক্সের কাছে গিয়ে একটু থেমে ফিরে এলো।
পাদ্রী বললো, আমি সব দেখেছি.... তুমি টাকা ভেতরে না ফেলে হাতে ঘষেছো শুধু।
লোকটি বললো, ফাদার, আপনিই তো বললেন, ঘষা আর মূল কাজ একই জিনিস।
আমেরিকার সিনেটর জন কেরি একটি প্রাইমারি স্কুল ভিজিটে গেলেন। একটি ক্লাশে ঢুকে তিনি দেখলেন সেখানে শব্দের অর্থ পড়ানো হচ্ছে।
ক্লাশ টিচার সিনেটরকে অনুরোধ করলেন কিছু বলার জন্য। সিনেটর তাদেরকে কিছুক্ষণ 'ট্র্যাজেডি' শব্দের অর্থ ব্যাখ্যা করলেন। তারপর সবার কাছে জানতে চাইলেন, তোমাদের মধ্যে কি কেউ আমাকে ট্র্যাজেডির একটা উদাহরণ দিতে পারবে?
একজন ছাত্র হাত তুলে বললো, আমার এক বন্ধুর একটি খামারবাড়ি আছে। যদি তার ক্ষেতের ট্রাকটর তাকে পিষে মেরে ফেলে সেটা কি ট্র্যাজেডি হবে?
সিনেটর বললেন, না, এটা বরং 'এ্যাকসিডেন্ট'।
দ্বিতীয় আরেকজন বললো, যদি একটা স্কুল বাস ৫০ জন বাচ্চাকে নিয়ে পাহাড় থেকে পড়ে যায়, সেটা কি ট্র্যাজেডি হবে?
সিনেটর বললেন, না, বরং একে আমরা 'অপূরণীয় ক্ষতি' বলবো।
এরপর সবাই চুপ। সিনেটর তাদের সাহস দিলেন, আর কেউ কি নেই যে আমাকে সঠিক উদাহরণ দিতে পারবে?
শেষ বেঞ্চ থেকে একজন হাত তুললো। বললো, যদি সিনেটর মি. জন কেরি একটা প্লেন দিয়ে যাবার সময় একটা মিসাইল প্লেনে আঘাত করে এবং প্লেনটা টুকরা টুকরা হয়ে যায়, সেটা কি ট্র্যাজেডি হবে?
ফ্যানটাসটিক- বললেন সিনেটর, একদম ঠিক উদাহরণ দিয়েছো। তুমি কি ব্যাখ্যা করতে পারবে এটা কেন ট্র্যাজেডি?
ছাত্রটি উত্তর দিলো, কারণ এটা নিশ্চিতভাবেই 'অপূরণীয় ক্ষতি' না, আর কোনভাবে 'এ্যাকসিডেন্ট' তো নয়-ই। সুতরাং এটা ট্র্যাজেডিই হবে।
দুই বাঙালি লেকে মাছ ধরছিলো। একজনের বড়শিতে একটা পুরনো বোতল উঠে এলো। বোতলটা ধরতেই একটা জ্বিন এসে বললো, বলুন মালিক, আপনার একটি ইচ্ছা আমি পূরণ করবো।
যে বোতলটি পেয়েছিলো তার খুব কোকাকোলা খাবার শখ ছিলো। সে বললো, এই পুরো লেকটাকে কোক দিয়ে ভরে দাও।
বলার সাথে সাথে পুরো লেক কোকে পরিপূর্ণ হয়ে গেলো।
সে তার সঙ্গীর দিকে তাকিয়ে কৃতিত্বের হাসি হেসে বললো, দেখলে, কি দারুণ কাজ করলাম।
তার সঙ্গী বললো, আরে গাধা, এখন নৌকার মধ্যেই পেশাব করতে হবে সে খেয়াল আছে?
Page number
হাসির বাক্স ব্লগে স্বাগতম
নিয়মিত আপডেট পেতে চাইলে সাবস্ক্রাইব বা ফলো করতে পারেন।
সোর্স উল্লেখ করলে এই সাইটের যে কোন কৌতুক যেকোন জায়গায় শেয়ার করতে পারবেন।
প্রতিদিনের কৌতুক মেইলে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
Labels
- কৌতুক (87)
- ১৮+ কৌতুক (29)
- স্বামী স্ত্রী কৌতুক (9)
- ঢাকাইয়া কৌতুক (8)
Popular Posts
পুরোনো পোস্টসমূহ
-
▼
2010
(132)
- ▼ 10/24 - 10/31 (18)
- ► 10/17 - 10/24 (34)
- ► 10/10 - 10/17 (21)
- ► 10/03 - 10/10 (35)
- ► 09/26 - 10/03 (24)
Followers
Total Pageviews