আমেরিকার সিনেটে এক সিনেটর বেশ গরম মাথা আর চাঁছাছোলা কথার জন্য কুখ্যাত ছিলো। একদিন সিনেটের মধ্যে সে চেঁচিয়ে উঠে প্রতিবাদ করলো, সিনেটের অর্ধেক মেম্বারই কাপুরুষ আর দুর্নীতিবাজ।
সিনেটের মেম্বাররা এর প্রতিবাদ করে উঠলেন। তারা দাবি জানালেন ওই সিনেটরকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করার জন্য নতুবা তাকে যেন সিনেটের বাকি সময়টুকু সরিয়ে দেয়া হয়।
এ কথা শুনে সিনেটর তার বক্তব্য ফিরিয়ে নিয়ে বললেন, আমি আমার বক্তব্য প্রত্যাহার করছি। সিনেটের অর্ধেক মেম্বার কাপুরুষ আর দুর্নীতিবাজ নন।
১৯৩০ এর দিকের ঘটনা। এক কৃষক তার স্ত্রীকে নিয়ে এসেছে শহরের বিমান বন্দর পরিদর্শন করতে। বিমান দেখতে দেখতে দু'জনেরই খুব শখ হলো প্লেনে চড়ার।
তারা এক পাইলটকে জিজ্ঞেস করলো ভাড়া কত। পাইলট বললো, ৩ মিনিট ১০ ডলার।
- ভাড়া তো অনেক বেশি! কৃষক বললো।
পাইলট তাদেরকে একনজর দেখে বললো, দেখো, তোমাদেরকে একটা বিশেষ অফার দিচ্ছি। তোমরা যদি প্লেনে উঠে কোন চিৎকার না করো তাহলে আমি তোমাদের অর্ধেক রেটে উড়িয়ে আনবো। কিন্তু যদি তোমরা চিৎকার করো, তাহলে প্রতি ৩ মিনিটে পুরো ১০ ডলারই দিতে হবে।
এতে কৃষক রাজি হলো। পাইলট তাদেরকে নিয়ে ভয়ংকর এক উড়ান দিয়ে ফিরে এলো। কিন্তু কৃষক আর তার স্ত্রী একবারও চেঁচালো না।
পাইলট বললো, তোমরা আসলেই খুব সাহসী। এমন ভয়ানক ভাবে প্লেন ওড়ানোর পরও তোমরা ভয় পাওনি।
একথা শুনে কৃষক বললো, বলো কি! একটু আগে আমার স্ত্রী যখন পড়ে যাচ্ছিলো তখন চিৎকার প্রায় বেরিয়ে গিয়েছিলো মুখ থেকে।
আমেরিকান এয়ারলাইন বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের স্ত্রীদের জন্য অর্ধেক ভাড়ার নিয়ম চালু করলো যদি তারা তাদের স্বামীদের সাথে ব্যবসার উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করে।
এক এটর্নি গভীর রাতে গভর্নরকে ফোন করলো। তার সেক্রেটারি ফোন ধরলে তাকে জানালো এটা খুবই আর্জেন্ট বিষয়।
গভর্নরকে ফোন দেয়া হলো।
- কি ব্যাপার? ঘুম ঘুম কণ্ঠে গভর্নর জানতে চাইলো।
- স্যার, জাজ ম্যাকলিন একটু আগে মারা গেছেন, আমি তার স্থান গ্রহণ করতে চাই।
- ঠিক আছে, আজরাইল রাজি থাকলে আমার আপত্তি নেই।
এক উদ্ভিন্ন যৌবনা তরুণী বারটেন্ডারের সামনে এসে ইশারায় তাকে ডাকলো। বারটেন্ডার এগিয়ে এলে লাস্যময়ী ভঙ্গিতে তার থুতনি আর গালে হাত বুলিয়ে তরুণী জিজ্ঞেস করলো- তুমিই কি ম্যানেজার?
বারটেন্ডার একটু কেঁপে নিজেকে সামলে বললো- জ্বী না।
তরুণী এবার বারটেন্ডারের মাথার চুল আর কানে হাত বুলিয়ে বললো- ওকে একটু ডেকে দেবে? একটা সমস্যা হয়েছে?
বারটেন্ডার জানতে চাইলো- কি সমস্যা আমাকে বলুন।
তরুণী বারটেন্ডার মুখে তার তর্জনী আর মধ্যমা ঢুকিয়ে সেগুলো বারটেন্ডারকে চুষতে দিলো। খুশিতে বারটেন্ডারের পাগলপ্রায় দশা।
- ম্যানেজারকে বলো লেডিস টয়লেটে টিসু পেপার নেই। তরুণীর জবাব।
এক মহিলা এক গাড়িতে ৫-৬টি বাচ্চা নিয়ে নার্ভাস হয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলো। একটা 'থামুন' সাইন সে পার হয়ে গেলে পুলিশ তাকে থামালো।
- আপনি কি থামতে শিখেননি? জানতে চাইলো পুলিশ।
- এগুলো তো আমার বাচ্চা নয়। মহিলার উত্তর।
ময়দানে সৈন্যদের খোঁজ নিতে গিয়ে জেনারেল বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করলেন একজন সৈন্যও উপস্থিত নেই। কিছুক্ষণ পর হাঁপাতে হাঁপাতে এক সৈন্যে এসে হাজির।
- কি কারণে দেরি হলো? জেনারেল জানতে চাইলো।
- স্যার, ডেট- এ গিয়ে দেরি হয়ে গেছে। আসার পথে শেষ বাসটাও ধরতে পারলাম না, ট্যাক্সি ক্যাবকে থামতে বললাম, থামলো না, একটা ফার্মে গিয়ে একটা ঘোড়া কিনে রওনা দিলাম, মাঝপথে সেটা মারা গেলো। এরপর বাকি ১০ কিলোমিটার দৌড়াতে দৌড়াতে এসেছি।
অজুহাতটা জেনারেলের মনো:পুত হলো না। তারপরও যেহেতু সে এসেছে তাই তাকে ছেড়ে দিলেন।
এরপর আরো আটজন সৈন্য হাঁপাতে হাঁপাতে এলো।
- কি কারণে দেরি হলো? জেনারেল জানতে চাইলো।
- স্যার, ডেট- এ গিয়ে দেরি হয়ে গেছে। আসার পথে শেষ বাসটাও ধরতে পারলাম না, ট্যাক্সি ক্যাবকে থামতে বললাম, থামলো না, একটা ফার্মে গিয়ে একটা ঘোড়া কিনে রওনা দিলাম, মাঝপথে সেটা মারা গেলো। এরপর বাকি ১০ কিলোমিটার দৌড়াতে দৌড়াতে এসেছি। সবাই এই অজুহাত দিলো।
জেনারেল তাদের অজুহাতে ভারি সন্দিহান হয়ে পড়লেন। কিন্তু যেহেতু এই অজুহাতের কারণে প্রথম জনকে ছেড়ে দিয়েছেন তাই তিনি তাদেরকেও ছেড়ে দিলেন।
একটু পর আরেক সৈন্য হাঁপাতে হাঁপাতে এলো।
- কি কারণে দেরি হলো? জেনারেল জানতে চাইলো।
- স্যার, ডেট- এ গিয়ে দেরি হয়ে গেছে। আসার পথে শেষ বাসটাও ধরতে পারলাম না, ট্যাক্সি ক্যাবকে থামতে বললাম .....
- বাকিটা আমি বলি। তুমি ট্যাক্সিকে থামতে বললে, সেটা থামলো না। তারপর তুমি একটা ঘোড়া কিনলে....।
- না স্যার, আমি ট্যাক্সি পেয়েছি ঠিকই। কিন্তু একটু দূরে গিয়ে দেখি রাস্তায় অনেক মরা ঘোড়া পড়ে আছে। সেগুলোকে পাশ কাটিয়ে আসতে আসতেই দেরি হয়ে গেলো।
এক সোনালি চুলের আর এক লাল চুলের মেয়ে হাঁটছিলো। দূর থেকে তারা দেখতে পেলো লাল চুলের মেয়ের বয়ফ্রেন্ড ফুল কিনছে।
- সর্বনাশ! ও আবার ফুল কিনছে! লাল চুলের মেয়ে বললো।
- তুমি মনে হচ্ছে ফুলে উপহার পেতে পছন্দ করো না? সোনালি চুলের মেয়ের প্রশ্ন।
- করি, কিন্তু ও যখনই ফুল দেয় তখনই ওর মনে কোন বিশেষ ইচ্ছা থাকে। আমি চাই না ফুল পাবার পরের তিন দিন আমি দুইদিকে পা ছড়িয়ে শুয়ে থাকি।
- কেন তোমাদের বাসায় কি ফুলের ভাস নেই? সোনালি চুলের বিস্ময়কর প্রশ্ন।
ছোট্ট জনিদের ক্লাসে স্যার রক্ত চলাচল সম্পর্কে পড়াচ্ছেন। ভালো করে বোঝার জন্য স্যার উদাহরণ দিলেন, ধরো, যদি আমি মাথার উপর ভর করে দাঁড়াই তাহলে রক্ত আমার মাথায় উঠে আসবে। এবার বুঝেছো?
ছাত্ররা জানালো যে তারা বুঝেছে।
- কিন্তু, এই যে আমি পায়ের উপর দাঁড়িয়ে আছি, এখন তো রক্ত আমার পায়ে চলে আসছে না। বলতো কেন?
- কারণ এটা বোধহয় খালি নয়। ছোট্ট জনির উত্তর।
এক মহিলার আত্মীয় স্বজন পুরো আমেরিকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিলো। ভাতিজা, ভাতিজী, ভাগ্নে, ভাগ্নীদের দেখার জন্য সে প্রায়ই প্লেনে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ভ্রমণ করতো। বাচ্চাদের সঙ্গ তার যতই ভালো লাগুক না কেন, প্লেন সম্পর্কে তার একটা ভয় সবসময় কাজ করতো- যদি কেউ প্লেনে বোমা ফাটিয়ে দেয়?
তার ভয়ের কথা জানতে পেরে আত্মীয় স্বজনরা ঠিক করলো তাকে এক স্ট্যাটিসটিক্স অভিজ্ঞ ব্যক্তির কাছে নিয়ে যাবে যাতে তাকে এটা বোঝানো যায় যে প্লেনে বোমা নিয়ে ওঠার সম্ভাবনা শতকরা কতো ভাগ।
স্ট্যাটিসটিক্স অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে মহিলা প্রশ্ন করলো, বোমা নিয়ে প্লেনে কোন খারাপ লোক ওঠার সম্ভাবনা কতটুকু।
লোকটি তাকে জানালো- খুব কম। পঞ্চাশ হাজার বারে একবার।
মহিলা জানতে চাইলো- একই প্লেনে দুইজন বোমা নিয়ে ওঠার সম্ভাবনা কতদূর?
লোকটি বললো- এটার সম্ভাবনা আরো কম, এক কোটি বারে একবার। কোন ভয় নেই।
মহিলা খুশি হয়ে চলে এলো।
এরপর থেকে সে যতবার প্লেনে চলাফেরা করতো, প্রতিবার সাথে একটা বোম রাখতো।
Page number
হাসির বাক্স ব্লগে স্বাগতম
নিয়মিত আপডেট পেতে চাইলে সাবস্ক্রাইব বা ফলো করতে পারেন।
সোর্স উল্লেখ করলে এই সাইটের যে কোন কৌতুক যেকোন জায়গায় শেয়ার করতে পারবেন।
প্রতিদিনের কৌতুক মেইলে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
Labels
- কৌতুক (87)
- ১৮+ কৌতুক (29)
- স্বামী স্ত্রী কৌতুক (9)
- ঢাকাইয়া কৌতুক (8)
Popular Posts
পুরোনো পোস্টসমূহ
-
▼
2010
(132)
- ▼ 10/24 - 10/31 (18)
- ► 10/17 - 10/24 (34)
- ► 10/10 - 10/17 (21)
- ► 10/03 - 10/10 (35)
- ► 09/26 - 10/03 (24)
Followers
Total Pageviews